শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার জ্বালানি রেশনিং করছে। ফিলিপাইন পেট্রল ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য চার দিনের কর্মসপ্তাহ চালু করেছে। বিদ্যুৎ বাঁচাতে বাংলাদেশে সাময়িকভাবে বিদ্যালয়ে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত হয়েছে। সারা ভারতেই দেখা যাচ্ছে, বাসাবাড়ি ও রেস্তোরাঁয় গ্যাসের অভাবে কাঠের আগুনে রান্না হচ্ছে। এয়ারলাইনসগুলো উড়ান বাতিল করছে।
ইরান–ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানিসংকটের প্রথম ধাক্কা যত কষ্টেরই হোক না কেন, সামনে যে পরিস্থিতি আসছে, তা আরও খারাপ হবে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার আগে যেসব তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের শেষ চালান এশিয়ার পথে রওনা হয়েছিল, সেগুলো এখন পৌঁছে যাওয়ার কথা। ইউরোপগামী শেষ ট্যাংকার চালানগুলোও এপ্রিলের মাঝামাঝি পৌঁছে যাবে। এরপর অনেক দেশের পেট্রল, ডিজেল, তরল পেট্রোলিয়াম গ্যাস ও প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত কমে যাবে। যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।







