Opponents are unable to leave their homes, said Rez

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের শেষ মুহূর্তের প্রচারণা চলছে। ভোটারদের সংঘবদ্ধ করে ভোট চাওয়ার আয়োজন করে যাচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দল। ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল ভোটারদের সঙ্গে শেষ মুহূর্তের প্রচারণা করলো রাজধানীর বেইলি রোডে। শিল্পী সমিতির অধিকাংশ ভোটার ও সহযোগী সদস্য সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলের ডাকে।

ভোটারদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য দিতে গিয়ে অভিনেতা রিয়াজ বলেন, ‘প্রতিপক্ষের প্রার্থীরা বাসা থেকে বের হতে পারছে না, আমি দুঃখিত তাদের জন্য। বাসা থেকে বের হলে অনেক সময় রিকশাওয়ালারাও নিচ্ছে না তাদের। আমি শুনেছি তাদের কাছে পণ্যও বিক্রি করছে না লোকজন!’

সহ সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বী অভিনেতা ডিএ তায়েব মূলত এই আয়োজনের সমন্বয়ক। তাঁকে উদ্দেশ্য করে রিয়াজ বলেন, ‘ভাড়াটে লোকের চেয়ে আমাদের তায়েব ভাই অনেক ভালো একজন মানুষ৷ কারো ক্ষতি করেন না, বরং সকলের অনেক উপকার করেন। ‘

ভোটারদের নিকট ভোট প্রার্থনা করে রিয়াজ আরো বলেন, ‘আপনারা কাঞ্চন-নিপুণের সমর্থর তো বটেই প্লিজ প্যানেলের কাউকে বঞ্চিত করবেন না ৷ শিল্পীদের এই গণজোয়ার সারাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ‘

মিশা-জায়েদ প্যানেলের উদ্দেশ্যে অভিনেতা বলেন, অপরপক্ষের যারা আছে তারা বাসা থেকে বের হতে পারছে না। আমি দুঃখিত তাদের জন্য। বাসা থেকে বের হলে অনেক সময় রিকশাওয়ালারাও নিচ্ছে না তাদের। আমি শুনেছি তাদের কাছে পন্যও বিক্রি করছে না লোকজন। একজন বলছে, আপনার কাছে বিক্রি করতে পারি যদি ওই প্যানেলে একটা ভোট দেন।

একটি ভোটও নষ্ট না করার আহবান জানিয়ে রিয়াজ বলেন, ‘এরকম অবস্থা সারাদেশে, শুধুমাত্র ঢাকায় না। আর এবার আমরা এসেছি, আপনাদের সাথে আছি থাকবো। এই গণজোয়ারে একটি ভোটও নষ্ট করবেন না। দুটি বছর অন্যকে ভোট দিয়েছেন, এবার আমাদেরকে দুটি বছরের জন্য ভোট দিন, যদি না পারি তাহলে আমাদেরকে বলবেন। ‘

অনুষ্ঠানে ইলিয়াস কাঞ্চন, নিপুণসহ প্যানেলের সকল প্রার্থীই উপস্থিত ছিলেন।