Attacker had mental problems at shopping mall in Copenhagen: Police

স্থানীয় সময় গতকাল সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে কোপেনহেগেন পুলিশপ্রধান সরেন থমাসেন বলেন, ‘আমাদের এই সন্দেহভাজন (হামলাকারী) মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের কাছে পরিচিত ছিলেন। এটা ছাড়া আমি আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’
গতকাল দিনের শেষ ভাগে পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়, মানসিক রোগীদের একটি রুদ্ধদ্বার ওয়ার্ডে সন্দেহভাজনকে রাখা হয়েছে। তাঁকে ২৪ দিন হেফাজতে রাখতে আদালতের আদেশের পর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই সময় আরও বাড়তে পারে।
আগে পুলিশ কর্মকর্তা থমাসেন বলেছিলেন, ভুক্তভোগী ব্যক্তিদের নির্বিচার নিশানা করা হয়েছিল বলে মনে হয়। এই ঘটনা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছিল—এমন কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
থমাসেন বলেন, ‘আমাদের মূল্যায়ন হলো, হতাহত ব্যক্তিরা নির্বিচার হামলার শিকার। লিঙ্গ বা অন্য কিছু দিয়ে প্রভাবিত হয়ে এই হামলা চালানো হয়নি।’
হামলার উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেননি কোপেনহেগেন পুলিশপ্রধান।
তবে থমাসেন বলেন, হামলার আগে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। ২২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন হামলাকারী অন্য কারও সহযোগিতা ছাড়াই কাজটি করেছিল বলে মনে করা হচ্ছে।
থমাসেন বলেন, সবকিছু মিলিয়ে যেটা দাঁড়ায়, তিনি (হামলাকারী) একাই কাজটি করছিলেন বলে মনে হচ্ছে।
হামলায় নিহত তিনজনের মধ্যে দুজন ড্যানিশ কিশোর–কিশোরী। তাদের বয়স ১৭ বছর। নিহত অন্যজন ডেনমার্কে বসবাসকারী ৪৭ বছর বয়সী এক রুশ নাগরিক।
হামলায় আহত চারজনের মধ্যে দুজন ড্যানিশ নারী। তাঁদের বয়স ১৯ ও ৪০ বছর। বাকি দুজন সুইডিশ নাগরিক। তাঁদের একজন ৫০ বছর বয়সী পুরুষ, আরেকজন ১৬ বছর বয়সী কিশোরী।
পুলিশ নিশ্চিত করেছে, গুলির সময় সন্দেহভাজন হামলাকারী শপিং মলে উপস্থিত ছিলেন। তাঁর সম্পর্কে পুলিশের জানাশোনা ছিল। তবে তা খুব বেশি নয়।
কিছু ছবিতে এই সন্দেহভাজন তরুণকে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে পোজ দিতে দেখা গেছে। আত্মহত্যার অঙ্গভঙ্গি নকল করতে দেখা গেছে। এ ছাড়া মানসিক রোগের চিকিৎসার বিষয়ে তাঁকে কথা বলতে শোনা গেছে।
স্থানীয় সময় গত রোববার বিকেলে ব্যস্ততম ফিল্ডস শপিং মলে ওই বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে।