Hospitals in the capital are filled with dengue patients

রাজধানীসহ সারাদেশে বেড়েছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। রোগীদের অনেকেই হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন গুরুতর অবস্থায়। হাসপাতালের ওয়ার্ডগুলো ভরে উঠছে ডেঙ্গু রোগীতে। চিকিৎসকরা বলছেন, আক্রান্ত হওয়ার প্রথম সপ্তাহে ডেঙ্গু রোগীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। ডেঙ্গুর পাশাপাশি বেড়েছে চোখের সংক্রমণ। ওষুধ মিলছে না ফার্মেসিতে। বিক্রেতারা বলছেন, হঠাৎ করে রোগী বাড়ায় চোখের সংক্রমণের ওষুধের সরবরাহে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

হাসপাতালে বাড়ছে রোগী। বাড়ছে স্বজন হারানোর হাহাকার। এক রোগী ভর্তি হয়েছিলেন মস্তিষ্ক সংক্রমণে। তাকে বাঁচানো যায়নি। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. সৈয়দ জাকির হোসাইন বলছেন, ডেঙ্গু আক্রান্ত অনেকে গুরুতর স্বাস্থ্য পরিস্থিতি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। হাসপাতালে দেখা গেলো, হাতে রক্ত জমা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন একজন রোগী। এই ধরনের উপসর্গ সচরাচর দেখা যায় না ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে।

শুধু ঢাকা নয়, জেলা-উপজেলা থেকেও রোগী ভর্তির হার বেড়েছে। তাদের অনেকেই স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত চিকিৎসা না পেয়ে রাজধানীতে এসেছেন বলে জানালেন অধ্যাপক ডা. সৈয়দ জাকির হোসাইন।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন নতুন রোগী। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডেঙ্গু ওয়ার্ডের নার্স ইনচার্জ নার্গিস আক্তার জানালেন, এই ইউনিটের আশিটি বেডের মধ্যে প্রায় সবগুলোতেই ডেঙ্গু রোগী ভর্তি। একজন সুস্থ হয়ে বাড়ি না যাওয়া পর্যন্ত ভর্তি নেয়া যাচ্ছে না অন্য নতুন রোগী। ফলে চাপও বাড়ছে।

এ বছর হঠাৎই বেড়েছে চোখের সংক্রমণ। চোখ ওঠা হিসেবে পরিচিত এ রোগ দ্রুত ছড়াচ্ছে। অনেকে হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা নিয়ে ফার্মেসিতে দৌড়াচ্ছেন ওষুধের জন্য। কিন্তু ফার্মেসিতে মিলছে না পর্যাপ্ত ওষুধ।

এমন অবস্থায় মৌসুমী নানা রোগের বিস্তার ঠেকাতে নাগরিকদের সতর্ক হওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের।

image_pdfimage_print