গার্মেন্টসের চেয়েও বড় সম্ভাবনা কুটির শিল্পে : গয়েশ্বর

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের কারিগরদের জন্মগত মেধা ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে তৈরি দেশীয় পণ্যের মান ও সৌন্দর্য অত্যন্ত আকর্ষণীয়। তবে গার্মেন্টসসহ অন্যান্য চাকরির তুলনায় কুটির শিল্পের সাথে যুক্ত মানুষকে আরো স্বাবলম্বী করতে হলে তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু পণ্য তৈরি করলেই হবে না, সেই পণ্য মানুষের কাছে তুলে ধরতে কার্যকর প্রচারও প্রয়োজন। প্রচার ও বিপণন সুবিধা বাড়ানো গেলে কুটির শিল্পের বাজার আরো সম্প্রসারিত হবে এবং এ খাতে কর্মসংস্থানের সুযোগও বাড়বে।

দেশীয় ঐতিহ্য ও গ্রামীণ পণ্যের চাহিদার কথা তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, জামালপুরের নকশিকাঁথা, শীতলপাটি, মাটির তৈজসপত্র ও টেরাকোটার মতো ঐতিহ্যবাহী পণ্যের কদর এখনো রয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের মধ্যেও মানুষ আবার প্রকৃতি ও ঐতিহ্যনির্ভর জীবনযাত্রার দিকে ফিরছে। এসব পণ্য একদিকে মানুষের সৌন্দর্যবোধকে সমৃদ্ধ করছে, অন্যদিকে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বিশেষ করে নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে কুটির শিল্পের ভূমিকা তুলে ধরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সমাজের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া অনেক নারী ঘরে বসেই এসব কাজ করে আয় করছেন। এর মাধ্যমে তারা আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজে নিজেদের সম্মানজনক অবস্থান তৈরি করছেন।

বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী পরিবেশ দূষণের বড় একটি অংশ উন্নত বিশ্বের কারণে হলেও উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর ওপর নানা ধরনের শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, পরিবেশ দূষণের দায় ও দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাস্তব অবস্থান বিবেচনায় নেয়া প্রয়োজন।

image_pdfimage_print