ঘন কুয়াশায় দুর্ঘটনা এড়াতে রেলওয়ের নির্দেশনা

সারাদেশে চলমান শৈত্যপ্রবাহ ও ঘন কুয়াশার কারণে রেলপথে সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

আজ শুক্রবার রেলপথ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা রেজাউল করিম সিদ্দিকীর পাঠানো এক বিজ্ঞপিতেতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা হ্রাস পাওয়ায় রানিং স্টাফদের (ট্রেন পরিচালনায় যুক্ত কর্মী) যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। রেলক্রসিংয়ে দায়িত্বরত কর্মচারীদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। অরক্ষিত রেলক্রসিং পারাপারে পথচারীদের সতর্কতা এবং রেললাইনে অকারণে যাতায়াত পরিহার করতে নির্দেশনা ও পরামর্শ দিয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ রেলওয়ে।

রেল কর্মকর্তারা জানান, চলমান শৈত্যপ্রবাহে ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে কমেছে। এতে যথাযথ গতি বজায় রেখে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হওয়া এবং রেলপথে দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য দুর্ঘটনা এড়াতে রেলওয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী, পথচারীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।




টানটান উত্তেজনা শেষে আবারও যুক্তরাষ্ট্রের স্পিকার মাইক জনসন

টানটান উত্তেজনা শেষে যুক্তরাষ্ট্রের সংসদের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের বর্তমান স্পিকার মাইক জনসন পুননির্বাচিত হয়েছেন। মার্কিন স্থানীয় সময় শুক্রবার কংগ্রেসের ভোটাভুটিতে নানা নাটকীয়তার পর জয়ী হন তিনি। এই পদে তার পুনর্নির্বাচনের প্রতি সমর্থন দিয়েছিলেন দেশটির নবনর্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিবিসির।

স্পিকার পুননির্বাচিত হতে জনসনের প্রয়োজন ছিল ২১৮ জন আইনপ্রণেতার ভোট। তবে প্রথম দফার ভোটাভুটিতে তিনি ২১৬ জনের সমর্থন পান। আর ২১৫ জন আইনপ্রণেতা ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হাকিম জেফরিসকে ভোট দেন। আর অন্যান্য প্রার্থীরা পান তিন ভোট। রিপাবলিকান দলের তিনজন আইনপ্রণেতা জনসনকে ভোট দেননি।

কোনো প্রার্থী প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় ভোটাভুটি দ্বিতীয় দফায় গড়ায়। তবে অবশেষে জয় হয় জনসনের। তিনি রিপাবলিকান আইনপ্রণেতাদের ওপর ভর করে প্রয়োজনীয় ২১৮টি ভোট পান। হাকিম পান ২১৫টি ভোট। অন্যান্য প্রার্থীদের ঝুঁলিতে একটি ভোট জমা পড়ে।

দ্বিতীয় দফার ভোটে জয় নিশ্চিত হওয়ার পর জনসন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকারের পদ ছাড়াও পরবর্তী কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে শপথ নেন। প্রতিনিধি পরিষদে লুইজিয়ানার হয়ে প্রতিনিধিত্ব করছেন জনসন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে স্পিকার নির্বাচিত হয়েছিলেন জনসন।

জয় পাওয়ার পর জনসন জানান, গত চার বছর জো বাইডেনের দুর্বল নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রকে বিপজ্জনক অবস্থানে নিয়ে গেছে। পরবর্তী কংগ্রেস আমেরিকা ফার্স্ট নীতি বাস্তবায়নে চ্যাম্পিয়ন হবে। আমেরিকা ফার্স্ট হলো দেশকে এগিয়ে নিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারমূলক নীতি।

স্পিকার পদে পুননির্বাচিত হওয়ায় জনসনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ট্রাম্প। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, জনসন একজন সেরা স্পিকার হবেন। তার নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র লাভবান হবে।

 




৪৩তম বিসিএসের ভ্যারিফিকেশনে বাদ পড়া প্রার্থীদের পক্ষ নিয়ে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেছেন, ৪৩তম বিসিএসের পুনরায় ভ্যারিফিকেশন হয়েছে। ১৬৮ জনকে এই ধাপে বাদ দেওয়া হয়েছে। ১ম ও ২য় ভ্যারিফিকেশন মিলে মোট বাদ পড়েছে ২৬৭ জন।

শনিবার পৌনে ১১টায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখানো হয়েছে গোয়েন্দা সংস্থার নেগেটিভ রিপোর্ট, অর্থাৎ পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড। কিন্তু এখানে অনেকগুলো প্রশ্ন আছে।

ভ্যারিফিকেশনে বাদ পড়াদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রসঙ্গে সারজিস বলেন, আওয়ামী লীগের সময়ে আওয়ামী লীগ পরিবার ব্যতীত অন্যান্য পলিটিক্যাল ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে আসা যে কারো জন্য এই প্রথম শ্রেণির সরকারি চাকরি পাওয়া কঠিন বিষয় ছিল। একই ধরনের একটি চিত্র যদি এখন দেখা যায় তাহলে পার্থক্যটা কোথায়। যে চাকরিপ্রার্থী সে যদি নিজ যোগ্যতায় প্রিলিমিনারী, রিটেন, ভাইভা পাস করে সুপারিশপ্রাপ্ত হয় এবং তার যদি পূর্বে কোনও অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকে তাহলে তার বাবা, চাচা, মামা, নানার রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তাকে চাকরি থেকে বঞ্চিত করা হবে কেন। আমি কী করবো সেটা কি আমার চাচা নির্ধারণ করতে পারে, কিংবা আমার চাচা কী করবে সেটা কি আমি নির্ধারণ করতে পারি।

জাতীয় নাগরিক কমিটির এই মুখ্য সংগঠক বলেন, একটা সময় পরে সবাইকে ব্যক্তিগত জীবন গোছাতে হয় ৷ ইভেন, আমার বাবার রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে আমার চিন্তা ভাবনার মিল নাও থাকতে পারে ৷ তাহলে পরিবারের কোনও একজন সদস্যের রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডের কারণে অন্য একজন সদস্যকে বঞ্চিত করার অধিকার রাষ্ট্র পায় কি না।

সারজিস আরও বলেন, সবচেয়ে বাজে ব্যাপারটা এবার হয়েছে- গোয়েন্দা সংস্থার অনেকে গিয়ে এবার ইউনিয়ন আর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সেক্রেটারির কাছে বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত চাকরিপ্রার্থীদের পরিবারের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা জানতে চেয়েছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযুক্ত করে সারজিস প্রশ্ন করেন, তার মানে সারা জীবন অধ্যবসায় করা বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েট এক মেধাবী তরুণ প্রায় ৩ বছর দিনরাত এক করে পড়াশোনা করার পর প্রিলি, রিটেন, ভাইভা পাস করে ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পর কোনও এক ওয়ার্ড সভাপতি সেক্রেটারির মতামতের কাছে জিম্মি হয়ে যাবে? সে তার কর্ম নির্ধারণ করবে? তাহলে এতো আয়োজনের কী দরকার ছিল?

তিনি বলেন, এই ভ্যারিফিকেশন তো তাহলে প্রিলির আগে হয়ে যাওয়া উচিৎ। তাহলে তার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো নষ্ট হতো না। আর কোন যোগ্যতাভিত্তিতে সে এই মতামত দেয়? স্থানীয়ভাবে এমনিতেই নেতিবাচক একটা পলিটিক্স দেখা যায়, কে কারে ল্যাং মেরে উঠতে পারে! যদি একজন চাকরিপ্রত্যাশী এমন স্থানীয় পলিটিক্সের শিকার হয় তাহলে সে দায় সরকার নেবে কি না?

নিজ হলের এক অগ্রজের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমার অমর একুশে হলের জাকারিয়া ভাই এডমিন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন। কি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তিনি! ডিপার্টমেন্ট ফার্স্ট, মাস্টার্সে সিজিপিএ চারের মধ্যে ৪! ১ম ভ্যারিফিকেশন উতরে গেলেও রি-ভ্যারিফিকেশনে বাদ দেওয়া হয়। যারা উনাকে চেনেন তাদের সবার আকাশ থেকে পড়ার মতো অবস্থা। আমি ভেবেছিলাম, আওয়ামী আমলে উনাকে আটকানো হতে পারে। কারণ উনার দাঁড়ি আছে, নূরানি চেহারা, ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। জামাত-শিবির ট্যাগ দেওয়া সহজ, কিন্তু উনাকে আটকানো হলো এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে। এখন তো নিয়োগের ক্ষেত্রে স্ট্যান্ডার্ড প্রক্রিয়া নতুন করে সেট হওয়ার কথা ছিল। এটা শুধু একটা এক্সামপল, এমন আরও অনেকজনের সঙ্গে কথা হয়েছে ৷

তিনি আরও জানান, পরে দেখলাম যারা বাদ পড়েছে তাদের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় নতুন করে পুনর্বিবেচনার আবেদন করার সুযোগ দিয়েছে। কিন্তু এই ভ্যারিফিকেশন খেলা কেন। এখানে অনেকেই আছে যারা পূর্বের চাকরি ছেড়ে এসেছে, অনেকের ছিল জীবনের শেষ চাকরির পরীক্ষা, অনেকের সামনের জীবন নির্ভর করছে এই চাকরির ওপর। সেখানে যদি এমন রিয়েলিটি সেট করা হয় তবে যে প্রজন্ম আগামীর চাকরিপ্রার্থী তারা আপনাদের ওপর আস্থা রাখতে পারবে না, দোদুল্যমান অবস্থায় না থেকে দেশ ছেড়ে চলে যাবে। অলরেডি এটা নিয়ে কথা শুরু হয়েছে ৷ যেটা কখনোই কাম্য নয়।

সবশেষে তিনি বলেন, চাকরি হবে মেধার ভিত্তিতে। যে মতাদর্শেরই হোক না কেন, যদি পূর্বে ক্ষমতার অপব্যবহার, অন্যায়, অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকে তাহলে নাগরিক হিসেবে সরকারি চাকরি পাওয়া তার সাংবিধানিক অধিকার। কোনও অহেতুক এক্সকিউজে সেটা ক্ষুণ্ণ করা কখনোই ভালো বার্তা বহন করে না।




বিজিবি একটি সুসংগঠিত-চৌকস-দেশপ্রেমিক বাহিনী

বিজিবির ১০২ তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, সকলের আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং সুদক্ষ নেতৃত্বে বিজিবি একটি সুসংগঠিত, চৌকস, সুশৃঙ্খল, পেশাদার দেশপ্রেমিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

তিনি বলেন, এই বাহিনী সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে বাংলাদেশের ৪,৪২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত সুরক্ষা, মাতৃভূমির অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধ, নারী ও শিশু পাচারসহ যেকোনো আন্ত:সীমান্ত অপরাধ দমন, বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় অত্যন্ত দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে সকলের আস্থা অর্জনে সক্ষম হয়েছে।

তিনি আজ ৩১ ডিসেম্বর মঙ্গলবার দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজের প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজিবির ১০২ তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, পুলিশ প্রধান বাহারুল আলম, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় সামরিক ও বেসামরিক প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ১০২ তম রিক্রুট ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ গত ৩০ জুলাই ২০২৪ তারিখে বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড কলেজে শুরু হয়। প্রশিক্ষণ ভেন্যুতে সর্বমোট ৬৯৫ জন পুরুষ এবং ৪৬ জন নারী রিক্রুট মৌলিক প্রশিক্ষণ সফলতার সাথে সম্পন্ন করেছে।দীর্ঘ ২৩ সপ্তাহের কঠোর ও কষ্টসাধ্য এ প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে আনুষ্ঠানিক শপথ গ্রহণ ও সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তাদের সৈনিক জীবনের শুভ সূচনা হলো।




হঠাৎ ৩১ ডিসেম্বর নিয়ে সরব সমন্বয়করা, কী ঘটছে সেদিন?

আগামী ৩১ ডিসেম্বর মুজিববাদের কবর রচিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ঘোষণাপত্রের মধ্যদিয়ে ফ্যাসিবাদ, মুজিববাদের কবর রচিত হবে।

তিনি বলেন, দলমত ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের সব নাগরিকের মুক্তির সনদ। সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে নতুন বাংলাদেশ। ৩৬ জুলাই পূর্ণতা পাক ৩১ ডিসেম্বরে।

এর আগে ৩১ ডিসেম্বরকে সামনে রেখে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একের পর এক স্লোগান লিখে আলোচনার জন্ম দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্যরা। ফলে সেদিন কী হতে যাচ্ছে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

মূলত শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ক্যাম্পেইন চালানো শুরু করেন তারা।

এর মধ্যে জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লিখেন, ‘এ বছরই হবে। ৩১ ডিসেম্বর। ইনশা আল্লাহ!’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ লিখেছেন, ‘Comrades, 31st DECEMBER! Now or Never.’

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক রিফাত রশিদ তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘All eyes on 31st December, 2024. Now or Never!’

তবে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আগামী ৩১ ডিসেম্বর বিকাল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে জুলাই প্রক্লেমেশন (ঘোষণা) হবে। সেখানেই ঘোষণা দেওয়া হবে।’

তবে ওই দিন নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ ঘটবে কিনা? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না এটা জুলাই প্রক্লেমেশন।’

এর বেশি তিনি কিছু বলতে চাননি।




১৬ ডিসেম্বরকে বাংলাদেশ নয় ভারতের বিজয় দিবস দাবি মোদির

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাত থেকে মুক্ত হয় বাংলাদেশ। লাখো শহীদের রক্ত ও মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে পাওয়া সেই স্বাধীনতাকে নিজেদের দাবি করছে ভারত। আজ সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) বাংলাদেশের বিজয় দিবসের দিনকে ভারতের ঐতিহাসিক বিজয় উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

বিজয় দিবসে বাংলাদেশকে শুভেচ্ছা জানানোর বদলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ভারতীয় সেনাদের অবদানের কথা স্বীকার করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মোদি। কিন্তু পোস্টে একটি বারের জন্যও বাংলাদেশ প্রসঙ্গ টানেননি তিনি।

পোস্টে মোদি লিখেছেন, ‘আজ, বিজয় দিবস। আমরা ১৯৭১ সালে ভারতের ঐতিহাসিক বিজয়ে অবদান রাখা সাহসী সৈন্যদের সাহস ও আত্মত্যাগকে সম্মান জানাই। তাদের নিঃস্বার্থ জীবন উৎসর্গ এবং অটল সংকল্প আমাদের জাতিকে রক্ষা করেছে এবং আমাদের গৌরব এনে দিয়েছে।’

মোদি আরও লিখেছেন, ‘এই দিনটি তাদের অসাধারণ বীরত্ব এবং তাদের অদম্য চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানাই। তাদের আত্মত্যাগ চিরকাল প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে এবং আমাদের জাতির ইতিহাসে গভীরভাবে গেঁথে থাকবে।’




প্লাস্টিকের ব্যাগে করে রান্নার গ্যাস কিনছেন পাকিস্তানিরা

পাকিস্তানে চলছে চরম অর্থনৈতিক সংকট। এতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে রয়েছেন দেশটির সাধারণ মানুষ। দেখা দিয়েছে এলপিজির ঘাটতি। সহজে পাওয়া যাচ্ছে না গ্যাসের সিলিন্ডারও। এমন দুরবস্থার মুখে অনেককেই প্লাস্টিকের ব্যাগে করে এলপিজি গ্যাস কিনছেন। খবর এনডিটিভির

একটি ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন দুই ব্যক্তি। তাদের হাতে বড় কয়েকটি প্লাস্টিকের ব্যাগ। সেগুলো ভর্তি করা হয়েছে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলপিজি দিয়ে। দেখে মনে হচ্ছে যেন বড় গ্যাস বেলুন হাতে নিয়ে হাঁটছেন তারা।

ওই ব্যাগগুলো ভরে আনা হচ্ছে গ্যাস সরবরাহকারীদের কাছ থেকে। ব্যাগ থেকে যেন গ্যাস না বের হয়ে যায়, সে জন্য সেটির মুখে লাগানো হয়েছে নজেল ও ভাল্‌ভ। পরে ওই গ্যাস চুলায় বা অন্য কাজে ব্যবহার করা হয়। একটি ব্যাগে তিন থেকে চার কেজি গ্যাস ভরা যায়। গ্যাস ভরতে সময় লাগে প্রায় এক ঘণ্টা।

এ বিষয়ে স্থানীয় এক ব্যক্তি সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘এই ব্যাগগুলোতে গ্যাস ভরলে বিস্ফোরণ হতে পারে এমন আশঙ্কা আছে। তবে প্রথমেই বলি, এমন কোনো ঘটনা ঘটেছে তা আমি শুনিনি। আর আসল কথা হলো, যদি ওই আশঙ্কার যদি সত্যি হয়, তাহলেও আমাদের মতো দরিদ্রদের সামনে অন্য কোনো পথ খোলা নেই। কারণ, সিলিন্ডারের অনেক দাম।’




চলছে মেসির পার্টি, তিনি নাচতেও পারেন!

গোল করে মাঠেই নৃত্য দেখান অনেকে। নেইমার জুনিয়র, ভিনিসিয়াস জুনিয়রদের মাঠে ‘সাম্বা নৃত্যের’ জন্য সমালোচনাও শুনতে হয়েছে। কিন্তু মাঠে লিওনেল মেসির নাচের দৃশ্য দেখা আকাশে ‘ধুমকেতু’ দেখার মতো।

নানান উদযাপন মেসিও করেন। কাতার বিশ্বকাপেও তাকে ভিন্ন ভিন্ন উদযাপন করতে দেখা গেছে। গোল করে কানে হাত দিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ উদযাপন করেছেন। কখনও বাধ ভাঙা উদযাপনে সতীর্থদের কোলে চেপে বসেছেন। কিন্তু মাঠে তাকে নাচতে দেখা যায়নি। এমনকি বন্ধুদের সঙ্গে পার্টিতে গেলেও আগে সেখাবে নাচতে দেখা যায় না।

তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। লিওনেল মেসি যে এবার বিশ্বকাপ জিতেছেন। কাতার বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজ দেশ আর্জেন্টিনার রোজারিওতে উৎসবের আমেজে আছেন তিনি। তার সতীর্থদের অনেকে ক্লাবে যোগ দিয়েছেন। তবে মেসি ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি নিয়েছেন।

রোজারিওতে তিনি বন্ধু ও সতীর্থদের সঙ্গে ক্রিসমাস উদযাপন করেছেন। এবার এক ভিডিওতে দেখা গেল পার্টিতে নাচছেন মেসি। স্প্যানিশ ভাষার গান ‘আমরা আবারও স্বপ্ন দেখতে পারি।’ গানে তার ওই নাচের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে।




এশিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ’জেরা এশিয়া স্কলারশিপ’

জেরা এশিয়া স্কলারশীপ’ চালু করল জেরা কো. ইনকর্পোরেটেড। এই স্কলারশিপের মাধ্যমে এশিয়ার দেশের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সির্টি অব জাপানে ২৫ মার্চ ২০২১ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, তাইওয়ান এবং ভিয়েতনামের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আবেদন গ্রহণ করা হবে।

জেরা এবং সামিট বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে ব্যবসার অংশীদার।

জেরা চেয়ারম্যান তোশিহিরো সানো বলেন, ’ইতোমধ্যে আমরা আমাদের জ্বালানি এবং অবকাঠামো ব্যবসার মাধ্যমে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখছি এবং আশা করি, ‘জেরা এশিয়া স্কলারশীপ’ ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে।’

এই স্কলারশিপের আওতায় রয়েছে, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সির্টি অব জাপানে দু-বছর মেয়াদী স্নাতকোত্তর কোর্সের শতভাগ ভর্তি ফি ও টিউশন ফি, যা অংকে প্রায় ১ লাখ ২২ হাজার টাকা মাসিক।

’জেরা এশিয়া স্কলারশিপ’-এর লক্ষ্য হচ্ছে এশিয়ার মেধাবী শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান এবং জাপান থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে যেন তারা ভবিষ্যতে এশিয়ার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখতে সক্ষম হয়।




ধর্ষণ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য কর্ণাটকের কংগ্রেস নেতার

ভারতের কর্ণাটকের জ্যেষ্ঠ কংগ্রেস নেতা ও বিধায়ক কে আর রমেশ কুমার রাজ্য বিধানসভায় ধর্ষণ নিয়ে অত্যন্ত আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন।

অনিচ্ছাকৃত সম্মতির সঙ্গে ধর্ষণের তুলনা করে তিনি বলেন, ‘একটা কথা আছে যে যখন ধর্ষণ অনিবার্য, তখন তা উপভোগ করুন।’

বৃহস্পতিবার কর্ণাটক বিধানসভায় কংগ্রেসের তিনি ওই আপত্তিকর মন্তব্য করেন। রমেশ কুমার কর্ণাটক বিধানসভার সাবেক স্পিকার। খবর এনডিটিভির।

তার এ বক্তব্যে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেওয়ায় কয়েক ঘণ্টা পর টুইটারে এক পোস্ট দিয়ে ক্ষমা চেয়েছেন রমেশ। তিনি লেখেন, ধর্ষণ নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য আমি সবার কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী। আমার উদ্দেশ্য জঘন্য অপরাধকে আলোকিত করা ছিল না। আমি এখন থেকে আমি সাবধানে আমার শব্দ চয়ন করব।